জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কত সালে ভারত থেকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে আনা হয়?
A. ১৯৭২
B. ১৯৭৪
C. ১৯৭৬
D. ১৯৭৫
সঠিক উত্তরঃ
A.
১৯৭২
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল'- ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম কত নম্বর বাঙালি পল্টনে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেছিলেন?
- যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে সে কখনো অন্য ধর্মকেকী করতে পারে না?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান।সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপন-মাঝে শক্তি ধরো, নিজের করো জয়-দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জেনো।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের বিষয়গত বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- ‘আমার’ পথ রচনাটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে’-কোন লেখকের রচনার অংশ?
- চিনিলাম আপনারে আঘাতে আঘাতে বেদনায় বেদনায় সত্য যে কঠিন কঠিনেরে ভালোবাসিলাম সে কখনো করে না বঞ্চনা।'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টি উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে?
- 'কিন্তু আমরা তাঁর কথা বুঝলাম না।'— 'আমারপথ' প্রবন্ধে কার সম্পর্কে আলোচ্য কথাটি বলাহয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের 'জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত রয়েছে?
- আশফাক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজসচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজে বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছেন, যারা ছাত্র অবস্থায় তাঁর সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এর পরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা তাঁর সমালোচনা করে। এসব শুনে আশফাক ??াহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।''সমালোচনাকে যারা উপেক্ষা করতে পারে, তারাই সামনে এগিয়ে যেতে পারে।'- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন?
- জীবনে জীবন যোগ করা না হলে কৃত্রিম পণ্যে ব্যর্থহয় গানের পসরা-উদ্দীপক এবং 'আমার পথ' প্রবন্ধে প্রাধান্যপেয়েছে—জীবনবন্দনাআত্মনির্ভরশীলতামানবধর্মনিচের কোনটি সঠিক?
- 'গান্ধীজি আছেন' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ’বার্ধক্য তাহাই-যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকডিয়া পড়িয়া থাকে।’ উক্তটি কার?
- সজল জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছে। কত রাত্রি অনুশোচনায় তার ঘুম হয়নি। এখন তার আত্মোপলব্ধি হয়েছে। সে ভাবে আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোটো হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মযন্ত্রণা ভোগ করব না।"ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের খণ্ডচিত্র।" আলোচনা করো।
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান,সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো;মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।উদ্দীপকে বর্ণিত সংকোচ ও সংকটের দুর্বলতাকে মুক্ত করার তাগিদের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বুঝিয়ে লেখো।
- মিজান সাহেব একজন সাদা মনের মানুষ। সারাটা জীবন আলোকিত মানুষ গড়েছেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'সেবাসংঘ'। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহরোধ, দুর্নীতি দমন অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে তিনি এলাকার মাতবরদের ভন্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছিলেন সদা সোচ্চার। অনেকেই তাঁর কাজের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ নিন্দা ও কটূক্তি করতেও ছাড়ে না। তাই বলে তিনি সমালোচনাকারীদের ভয়ে দমে যান না। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ ও সঠিক পথ।' তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন-'মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।''উদ্দীপকের কবিতাংশের বক্তব্য চেতনায় ধারণ করে অলোকিত পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব'- প্রবন্ধের ভাববস্তুর আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
- কাজী নজরুল ইসলামের গল্প কোনটি?
- যাকে অপদার্থ, অকর্মণ্য বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাকে যদি কেউ সাহস দেয়, এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতার হাত বাড়ায়, তবে সেই মানুষটির মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন ঘটবে। এতে অলস পরিশ্রমী হতে পারে, অপ্রতিভ সপ্রতিভ হবে, ভীরু সাহসী হবে, মূর্খ বিদ্বান হবে, দুর্বল বলবান হতে পারে। এর অন্যতম কারণ, সেই মানুষটির অন্তর্নিহিত সত্যের বিকাশ।উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
- নিচের কোনটি নজরুলের নিষিদ্ধ গ্রন্থ
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যমান ?
- "আমার পথ" প্রবন্ধে 'অভিশাপ-রথের সারথি' বলতে কী বুঝায়?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম।'-উক্তিটির তাৎপর্য কী?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ্যে লেখক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- ইশতিয়াক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজ সচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজের বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছে, যারা ছাত্র অবস্থায় তার সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এরপরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা তাঁর কটূক্তি ও সমালোচনা করে। এসব শুনে ইশতিয়াক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'উদ্দীপকের ইশতিয়াক সাহেব 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।