খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- গ্রামে পীর সাহেবের প্রভাব ছিল ব্যাপক। তিনি হুজুর কেল্লা নামে পরিচিত। ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায় জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল। কিন্তু এমদাদ শিক্ষিত যুবক। সে সমাজের মানুষের এমন প্রশ্নহীন আনুগত্যে অবাক হয়ে যেত।পীর সাহেবকে 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে তুলনা করা যায়? কেন?
- 'বিষাদ সিন্ধু' কোন ধরনের রচনা?
- তপু ভাগ্যান্বেষণে ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় রাজধানী ঢাকায়। মিটফোর্ডে এক ফুটপাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দেখতে পায় পাশের নর্দমায় অনেকগুলো ঔষধ পড়ে আছে। হোটেল বয়ের কাছে জানতে পারে এগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ কোম্পানি ফেলে গেছে। তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। সে ঐ ঔষধগুলো কুড়িয়ে নতুন প্যাকেটে মুড়ে কম দামে বিক্রি করতে থাকে। সাধারণ মানুষ কম দামে পেয়ে সরল বিশ্বাসে তার দোকান থেকে ঔষধ কিনে প্রতারিত হতে থাকে। আর তপু অল্পদিনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বনে যায়।'প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও তপু ও মজিদের লক্ষ্য এক'- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক কে?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ মিয়ার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- নাগর ফকিরের মৃত্যুর পর অনুসারীর সংখ্যা রাতারাতি বাড়তে লাগল। তার মৃত্যুর খবরে আশেপাশের অনেকেই হাজির না হলেও তার গায়েবি মাজার ওঠার খবরে বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ এসে ভিড় জমাতে লাগল। সবার নজরানায় নাগর ফকিরের ছেলে সাগরের সুনাম ও সম্পদ বৃদ্ধি পেতে থাকল। গায়েবি মাজার ওঠার প্রচারণা অনেকেই বিশ্বাস করল না। তবে তারা, এ বেদাতি কাজে বাধাও দিল না। এতে মাজার-বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সাগরের প্রভাব ও পয়সা দুটোই বাড়তে লাগল। 'উদ্দীপকের গায়েবি মাজারের অনুসারীরা যেন মহব্বতনগর গ্রামেরই বাসিন্দা।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- বেচারার একটা বেশ দুঃখ ছিল। ছেলেপুলে নেই।সৌদামিনীর স্বামী স্থির করলো, আর একটি বিয়েইযুক্তিযুক্ত; অন্তত চেষ্টা করে দেখা যাক। বংশ তো গুমকরে দেওয়া চলে না। উদ্দীপকের সৌদামিনীর স্বামীর মধ্যে 'লালসালু'উপন্যাসের কোন চরিত্রের মানসিকতা বিদ্যমান?
- শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি।'- কেন বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ধূর্ত মোদাচ্ছের গ্রামের সাধারণ মানুষেদের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করে। সে তাদের কাছে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী আকলিমা সহজ সরল প্রকৃতির। স্বামীর প্রতি অগাধ বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় সে অন্ধ।উভয়েই অর্থোপার্জনের কৌশল হলো-প্রভাব বিস্তারপ্রতারণা মিথ্যাচারনিচের কোনটি সঠিক?
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা' কথাটি কখন ও কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে।
- "ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।"-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়।মৌলবির কর্মকান্ড 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের যে দিকটা ইঙ্গিত করে-ধর্মীয় গোঁড়ামিআধিপত্য রক্ষার চেষ্টাপশ্চাৎপদতানিচের কোনটি সঠিক?
- গ্রামের স্কুলশিক্ষক বাবা তমিজুদ্দীন তাঁর ছেলে রাসেলকে শহরের বড়ো প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষার জন্য পাঠায়। রাসেল ডাক্তার হয়ে বাবার মুখ উজ্জ্বল করে ফিরে আসে গ্রামে। তার ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলবে এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক ও পানিপড়া প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস থেকে গ্রামবাসীেেদর মুক্ত করবে। কিন্তু ব্যাপারটা গ্রামের মোড়ল করিম খান মেনে নিতে পারে না। রাসেল যাতে গ্রামের মানুষদের সচেতন করতে না পারে সেই চেষ্টা করতে থাকে সে, কিন্তু রাসেল কোন দিকে কর্ণপাত না করে এগিয়ে যায় নিজের লক্ষ্যের দিকে।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস উভয়ই অন্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন জনজীবনের আলেখ্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মজিদ কার ভয়ে শঙ্কিত হয়?
- উম্মত মিয়া অনেক বছর ???গেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।"অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় মজিদ ও উম্মত মিয়া দৃঢ় হলেও উভয়ের কৌশল এবং পরিণতি ভিন্ন।"- মন্তব্যটি যুক্তি ও উদাহরণের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো।
- লালসালু' উপন্যাসের জমিলা হয়ে উঠেছে-নারীধর্মের প্রতিনিধিহৃদয়ধর্মের প্রতিনিধিমানবধর্মের প্রতিনিধিনিচের কোনটি সঠিক?
- সুপ্রভা প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। মন্দার গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই-সুপ্রভাকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে সুপ্রভা তাহার সতিন? স্নেহ-যত্নে সুপ্রভার দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে। সতিনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ মান-অভিমান মন-কষাকষি নাই।"উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে।"-বুঝিয়ে লেখো।
- 'লক্ষ্মীপুর গ্রামে নাকি এক সন্ন্যাসীর আগমন ঘটেছে। এইসন্ন্যাসী নাকি চোখের পলকে অন্য গ্রামে যেতে পারে,বাতাসের গতি থামাতে পারে।'উদ্দীপকের সন্ন্যাসী 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে মনে করে দেয়?
- ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা?' সংলাপটি বলেছে—
- 'লালসালু' কোন ধরনের উপন্যাস?
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- খালেক ব্যাপারীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হলো, সে-দুর্বলচিত্তধর্মভীরুব্যক্তিত্বহীননিচের কোনটি সঠিক?
- দিনমজুর আবুল মিয়ার একমাত্র মেয়ে শাহানা। এখন সে বারো বছরের কিশোরী। চেহারাটা একটু রোগা বলে বয়সটা তার ঠিক কতো তা বোঝা যায় না। শাহানা খুব চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা। সে উচ্ছল ও হাস্যমুখর। হঠাৎ রইচ ঘটক পাশের গ্রামের রহম আলী নামে এক মধ্যবয়সী পাত্রের প্রস্তাব নিয়ে আসে। শাহানার পিতা অভাবের কথা ভেবে শাহানার বিয়ের এ প্রস্তাবে রাজি হয়। শাহানার দু'চোখে বিস্ময় ও ক্ষোভ। শাহানার স্বপ্নগুলো, রহম আলীর আচরণে ও রূঢ়তায় বিচূর্ণ হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শাহানা ও 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার ভাগ্য একই সূত্রে গাঁথা।"- এ মন্তব্য কতটা গ্রহণযোগ্য? মূল্যায়ন করো।
- লালসালু উপন্যাসে সিদ্ধ ধানের ভাঁপের শব্দটি ঔপন্যাসিক কীসের সাথে তুলনা করেছেন?