হে কবি, নীরব কেন? ফাগুন যে এসেছে ধরায়।
চরণটিতে নীরব কেন বলতে কবির কোন মানসিকতাকে বোঝায়?
A.
জীবন নিয়ে উদাসীনতা
B.
কাব্য রচনা না করা
C.
বেদনার প্রকাশ
D.
শীতের চাদর মুড়ি দিয়ে থাকা
সঠিক উত্তরঃ
B.
কাব্য রচনা না করা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি-এ মোর মিনতি।'_____ চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তে??? পথে'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-/দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?" এখানে কবির কোন অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে?
- বিশ্ব প্রকৃতিতে বসন্তের আগমনে কবি এত উদাসীন কেন? বুঝিয়ে দাও।
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ’কাঁটাতারে প্রজাপতি’ কে লিখেছেন-
- 'হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে রাঙিয়াউঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনসুর ধ্বনিত হয়েছে?
- 'উত্তরী' শব্দের অর্থ কী?
- আজ কবিতা উৎসব। দেশের প্রধান কবি হাসান বশির অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। চারিদিকে হৈ হৈ রব। এর মধ্যে খবর এলো হাসান বশিরের অতি আদরের এক নাতনি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। আয়োজকগণ অনুষ্ঠান স্থগিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে হাসান বশির অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, আমার নাতনি দুর্ঘটনাকবলিত হওয়ায় আমি গভীরভাবে শোকাহত । কিন্তু আমি চাই অনুষ্ঠানটি চলুক। উদ্দীপকের কবি হাসান বশির এবং 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতার কবির চিন্তা-চেতনায় প্রকাশ পেয়েছে— স্মৃতিকাতরতা মানবমনের রহস্যময়তাবৈপরীত্যনিচের কোনটি সঠিক?
- "তাহারেই পড়ে মনে" কবিতায় কবি কাকে ভুলতে পারেন না ?
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।"উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য থাকলেও বৈপরীত্য কম নয়।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- 'হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়'— এচরণটিতে ‘নীরব কেন' বলতে কবির কেমন অবস্থাবোঝায়?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির নীরবতার কারণ কী?
- "কুহেলী উত্তলী তলে মাঘের সন্ন্যাসী"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'কুহেলি' শব্দের অর্থ কী?
- বসন্তের প্রতি কবি বিমুখ কেন?
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।"উদ্দীপকের সালমার মনের কষ্ট আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির হৃদয়ের রক্তক্ষরণ এক সূত্রে গাঁথা'- আলোচনা করো।
- 'কুহেলি উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জ??, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকের সেঁজুতি জামানের মনোভাব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'সে ভুলেনিতো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য কোনটি ?
- "কলি সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রকাশিত হয়—
- 'তরী তার এসেছে কি?' চরণাংশটি কোন কবিতার অন্তর্গত?