মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি-
A. মহাকাব্য
B. ইতিহাস গ্রন্থ
C. উপন্যাস
D. ইতিহাস-আশ্রিত জীবনীগ্রন্থ
সঠিক উত্তরঃ
C.
উপন্যাস
Explanation: মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১১) রচিত ‘বিষাদসিন্ধু’ (১৮৮৫-৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত মহাকাব্যধর্মী উপন্যাস। হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি ‘বিষাদসিন্ধু’গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়। মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি। ‘বিষাদসিন্ধু’ উপন্যাসটি ‘মহরম পর্ব’ (১৮৮৫), ‘উদ্ধার পর্ব’ (১৮৮৭) ও ‘এজিদ-বধ পর্ব’ (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।
Related Questions (Any University/Year)
- নিম্নোক্ত কোন লেখক বাংলাদেশের বাইরে মৃত্যুবরণ করেন?
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের ভাব ধারণ করেছে কি না? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা- চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়েসের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।উদ্দীপকের টুনির সাথে- 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে অবিশ্রান্ত ঢোলক বেজে চলে কোথায়?
- ‘তানি বুঝি দুলার বাপ।’- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার এই উক্তি কার প্রসঙ্গে।
- 'কী মিয়া? তোমার দিলে কি ময়লা আছে?'- এখানে ময়লা কী?
- 'আমি ভাবলাম, তিনি বুঝি দুলার বাপ।' কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- 'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' সিরাজউদ্দৌলা নাটকেসংলাপটি কার?
- 'কলমা জানো মিঞা?'- মজিদ কাকে এ প্রশ্ন করেছে?
- বাহে মুলুক কোথায়?
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা' কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- মজিদ কীভাবে তার প্রভাবকে প্রতিষ্ঠিত করে?
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।'- ব্যাখ্যা কর।
- 'পাথর এবার হঠাৎ নড়ে'- চরণে উল্লেখিত ‘পাথর' হলো-
- রিকশাচালক সাহেব আলির মেয়ে সালেহা। প্রাইমারির পর পড়া হয়নি তার। বয়স হয়তো ১২ কি ১৩। বড়োই চঞ্চলা। তিন বোনের মধ্যে সে-ই বড়ো। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে একদিন বিয়ের প্রস্তাব আসে সালেহার। ছেলে থাকে বিদেশে, দালানবাড়ি, অনেক টাকার মালিক। তবে শর্ত একটা, "আপাতত মোবাইল ফোনে বিয়ে; ছেলে দেশে ফিরলে বউকে তুলে নেবে। যত দিন না ফিরবে তত দিন বউয়ের খরচপত্র বাবদ টাকা পাঠিয়ে দেবে।" এমন প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার উপায় ছিল না দরিদ্র সাহেব আলির। নিয়ম মেনে বিয়ে। তারপর কয়েক বছর পর দেশে ফিরল ছেলে। ছেলের বয়স এখন পঞ্চাশ।"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসেরই ক্ষুদ্র সংস্করণ।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- বাড়িতে দুইজন স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও রহিম গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্ক স্ত্রীকে রহিম কারও সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে স্ত্রীকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে শীতের রাতে তাকে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম স্ত্রী খুব কষ্ট পায়। সাহস করে কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নিয়ে আসে।উদ্দীপকের রহিমের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের কোন দিক থেকে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- মজিদের মন অন্ধকার হয়ে আসে কেন?
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে।'-এখানে ‘খেলোয়াড়' কে?
- 'কলমা জান মিঞা?' প্রশ্নটি মজিদ কাকে উদ্দেশ্যকরে করেছিল?
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের মাহাবুবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর চরিত্রের তুলনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে মাজারটি দেখতে কেমন?
- মহব্বত নগর আগমনের পূর্বে মজিদ কোথায় ছিল?
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় কেমনে'- উক্তিটি কার?
- মাজারেরে পাশে দাঁড়িয়ে রহিমা কার জন্য শক্তি প্রার্থনা করে?