আল্লাদিকে রক্ষার জন্য মাসি-পিসির প্রচেষ্টায় তাদের চরিত্রের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো-
A.
দায়বদ্ধতা থেকে মুক্তি
B.
সংগ্রামশীলতা
C.
মানবিকতা
D.
অস্তিত্ব রক্ষা
সঠিক উত্তরঃ
B.
সংগ্রামশীলতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- হাভাতে শব্দের অন্তর্গত হা কোন শ্রেণীর অন্তর্গত?
- বাবা-মা হারা রাইনার শেষ আশ্রয় বুড়ো দাদু। কিন্তু সমস্যা হয় বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের কারণে, তার প্রতি শকুনের চোখ পড়ে। সম্পত্তির সবটুকু গ্রাস করেও তৃপ্তি হয় না গ্রামের মাতব্বরের ছেলের। তার লোভ জাগে রাইনার উপর। কিন্তু রাইনার দাদু এই বৃদ্ধ বয়সেই রুখে দাঁড়ায় সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।উদ্দীপকের রাইনার দাদুর সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির দায়িত্ববোধের সাদৃশ্যতা দেখাও।
- মাসি-পিসির মধ্যে ঐকান্তিক ভাব থাকার কারণ কী?
- কোনটি তৎপুরুষ সমাস?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিতহয়েছিল?
- 'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।
- মানিক বন্দোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কী?
- 'ওসব একরকম ছেড়ে দিয়েছে জগু '– এখানে 'ওসব’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'উক্ত মূল উপজীব্যে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তি কোনটি?
- দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝি'র এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয় অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে পাঠাবে না তারা। বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকীর কাছে বড় হয়েছে।"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- বিয়ের কয়েক বছরের মাথায় স্বামী মারা গেলে দুই সন্তান নিয়ে অকুল পাথারে পড়েন কুলসুম বিবি। তবে তিনি দিশেহারা না হয়ে সরকারি 'জয়িতা নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র' থেকে সেলাই মেশিন নিয়ে জীবনযুদ্ধে নেমে পড়েন।উদ্দীপকে টিকে থাকার গল্প 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের মধ্য দিয়ে যেভাবে ফুটে উঠেছে- জীবন সংগ্রামদৃঢ়তা প্রতিবাদ নিচের কোনটি সঠিক?
- 'বন্য' কোন ধরনের শব্দ।,,
- রহিমার স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে বিধবা ফুফু রাহেলাবেগমের নিকট চলে আসে। গ্রামের মাতব্বরের ছেলেজগলুর কুদৃষ্টি পড়ে তার ওপর। দৃঢ় প্রত্যয়ী রাহেলা বেগমমা-পাখির মতো আগলে রাখে অনাথ রহিমাকে।রাহেলা বেগম 'মাসি-পিসি' গল্পের কার প্রতিনিধিত্বকরছেন?
- সাধিত শব্দ কতভাগে ভাগ করা যায় ?
- ‘গবেষণা’ কী ধরনের শব্দ?
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।
- ‘আজও’ শব্দের 'ও' প্রত্যয় কোন অর্থে ব্যবহৃত?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে শেষ পর্যন্ত ঔজ্জ্বল্য লাভ করেছে—
- 'মাসি-পিসি' গল্পে 'জগু আর সেই জগু নেই'—কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি নিচের কোন গ্রন্থে সংকলিতহয়েছে?
- ‘দুজনে মিলে কাজ করছে যেন একজন করছে।' -- উক্তিটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে মাসি-পিসির-
- ‘প্রাগৌতিহসিক’ গল্পটি কার রচনা?
- রোজগার করে কিছু উপার্জন করলেই মানিক দোকানে যায়। চা-সিগারেট খায়, আড্ডা দেয়, আবার বিপদগ্রস্ত মানুষ দেখলে তাকে আরও বিপদে ফেলে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করতে চায়।উদ্দীপকের তাহের 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে চৌকিদারের নাম কী?