ক) ইন্টারফেরন কী?খ)
উদ্দীপক 'A' এর সংখ্যা বৃদ্ধির কৌশল বর্ণনা করো।
Explanation: ক) ইন্টারফেরন হলো এক ধরনের উচ্চ আণবিক ওজন সম্পন্ন প্রোটিন, যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ও ভাইরাসের বংশবৃদ্ধিতে বাধা দেয়।খ) উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' ভাইরাসটি হলো T₂ ব্যাকটেরিওফায। এ ফায ভাইরাসের সংখ্যাবৃদ্ধির' পদ্ধতিকে অনুলিপন বলে। T₂ ফায ভাইরাসের ক্ষেত্রে সংখ্যাবৃদ্ধির কৌশল কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। নিচে সংখ্যাবৃদ্ধির কৌশল বর্ণনা করা হলো-
পৃষ্ঠলগ্ন হওয়া: T2. ফায Escherichia coli ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের নির্দিষ্ট স্থানে স্পর্শকতন্তু এবং স্পাইকের সাহায্যে পৃষ্ঠলগ্ন হয়।
অনুপ্রবেশ: পৃষ্ঠলগ্ন হওয়ার পর স্পর্শক তন্তুর সাহায্যে ভাইরাস তার দেহটিকে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের যথাস্থানে আবদ্ধ করে এবং লাইসোজাইম এনজাইমের কার্যকারিতায় ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরে ছিদ্র সৃষ্টি করে। ফাজ লেজের প্রোটিন আবরণকে বাইরে রেখে শুধুমাত্র DNA-কে ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবেশ করায়।
সুপ্তকাল: অনুপ্রবেশের ১২-২২ মিনিট সময় পর্যন্ত ভাইরাসের DNA কে পোষক 'কোষে দেখা যায় না। এখানে ফায DNA পোষক কোষের ক্রোমাটিন বস্তুর মধ্যে প্রবেশ করে এবং পোষকের বংশগতীয় ক্রিয়াকলাপ নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয়।
ফাযের অঙ্গ উৎপাদন: কোষের কেন্দ্রাংশ বরাবর পলিমারেজ এনজাইমের সহায়তায় ব্যাকটেরিয়া কোষের নিউক্লিওটাইড ব্যবহার করে নতুন ফায DNA-র অনুলিপি তৈরি হয়। নতুন ফায DNA থেকে যে mRNA তৈরি হয় তা পোষক কোষের রাইবোজোমীয় ফ্যাক্টরিতে (ফাযের জন্য) প্রোটিনের খোলস তৈরি করে থাকে।
নতুন T₂ ফায সৃষ্টি: পোষক কোষের অভ্যন্তরে অপত্য DNA ও প্রোটিন
খোলস তৈরির পর এক কপি DNA অণু প্রোটিন খোলসে প্রবেশ করে। শেষে লাইসোজাইম এর সংশ্লেষ ঘটে এবং নতুন কার্যকর T₂ ফায তৈরি হয়।বিগলন বা লাইসিস: লাইসোজাইম এনজাইমের অনুরূপ কোনো পদার্থ পোষক কোষ হতে সৃষ্টি হওয়ার কারণেই পোষক কোষপ্রাচীরের মিউকোপ্রোটিন কমপ্লেক্স জাতীয় যৌগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে কোষপ্রাচীর বিদীর্ণ হয় এবং অপত্য T₂ ফায বাইরে নির্গত হয়।
এভাবেই উদ্দীপকের 'A' অর্থাৎ T₂ ব্যাকটেরিওফায ভাইরাসটির সংখ্যা
বৃদ্ধি ঘটে থাকে।
পৃষ্ঠলগ্ন হওয়া: T2. ফায Escherichia coli ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের নির্দিষ্ট স্থানে স্পর্শকতন্তু এবং স্পাইকের সাহায্যে পৃষ্ঠলগ্ন হয়।
অনুপ্রবেশ: পৃষ্ঠলগ্ন হওয়ার পর স্পর্শক তন্তুর সাহায্যে ভাইরাস তার দেহটিকে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের যথাস্থানে আবদ্ধ করে এবং লাইসোজাইম এনজাইমের কার্যকারিতায় ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরে ছিদ্র সৃষ্টি করে। ফাজ লেজের প্রোটিন আবরণকে বাইরে রেখে শুধুমাত্র DNA-কে ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবেশ করায়।
সুপ্তকাল: অনুপ্রবেশের ১২-২২ মিনিট সময় পর্যন্ত ভাইরাসের DNA কে পোষক 'কোষে দেখা যায় না। এখানে ফায DNA পোষক কোষের ক্রোমাটিন বস্তুর মধ্যে প্রবেশ করে এবং পোষকের বংশগতীয় ক্রিয়াকলাপ নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয়।
ফাযের অঙ্গ উৎপাদন: কোষের কেন্দ্রাংশ বরাবর পলিমারেজ এনজাইমের সহায়তায় ব্যাকটেরিয়া কোষের নিউক্লিওটাইড ব্যবহার করে নতুন ফায DNA-র অনুলিপি তৈরি হয়। নতুন ফায DNA থেকে যে mRNA তৈরি হয় তা পোষক কোষের রাইবোজোমীয় ফ্যাক্টরিতে (ফাযের জন্য) প্রোটিনের খোলস তৈরি করে থাকে।
নতুন T₂ ফায সৃষ্টি: পোষক কোষের অভ্যন্তরে অপত্য DNA ও প্রোটিন
খোলস তৈরির পর এক কপি DNA অণু প্রোটিন খোলসে প্রবেশ করে। শেষে লাইসোজাইম এর সংশ্লেষ ঘটে এবং নতুন কার্যকর T₂ ফায তৈরি হয়।বিগলন বা লাইসিস: লাইসোজাইম এনজাইমের অনুরূপ কোনো পদার্থ পোষক কোষ হতে সৃষ্টি হওয়ার কারণেই পোষক কোষপ্রাচীরের মিউকোপ্রোটিন কমপ্লেক্স জাতীয় যৌগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে কোষপ্রাচীর বিদীর্ণ হয় এবং অপত্য T₂ ফায বাইরে নির্গত হয়।
এভাবেই উদ্দীপকের 'A' অর্থাৎ T₂ ব্যাকটেরিওফায ভাইরাসটির সংখ্যা
বৃদ্ধি ঘটে থাকে।