‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
A. বলাইচাঁদ মুখোপ্যাধ্যায়
B. আবু জাফর শামসুদ্দীন
C. সিকান্দার আবু জাফর
D. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তরঃ
D.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Explanation: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস চাঁদের অমাবস্যা ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়। লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, দি আগলি এশিয়ান তাঁর অপর তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র।
Related Questions (Any University/Year)
- 'মরন বিলাস' কার রচনা?
- নিচের যে উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র প্রাধান্য লাভ করেনি-
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' রচনায় মৌলভী ধরনের মানুষ?
- 'মানবের মহা-বেদনার ডাক' বলতে কী বোঝায়?
- 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে আলাের দেবতা বলতে কী বুঝানাে হয়েছে?
- ‘ক্রীতদাসের হাসি’ শওকত ওসমান রচিত একটি-
- কোন্দা শব্দের অর্থ-
- "কী সহজে হয়ে গেল বলা, কাঁপলো না গলা এতটুকু ," -কোন কথা বলা হল?
- স্বল্পপ্রাণ, স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষে পরিপূর্ণ?
- ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ -এর প্রধান বিষয় কী?
- অমিয় চক্রবর্তীর ‘বাংলাদেশ’ কবিতায় উল্লেখিত হয়েছে-
- ’স্বাধীনতা তুমি’ কবিতায় স্বাধীনতাকে কবি শামসুর রাহমান কার হাসির সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- ১৭৫৩ সালে কোনটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' একটি ?
- ওরা কদম আলী নাটকটির রচিয়িতা কে?
- মোতাহার হোসেন চৌধুরী কোনটিকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন?
- 'মার্জার' অর্থ কী?
- 'বরং সত্য কথা বলতে গেলে সাধরণ লোকের মন স্বভাবতই যেখানে আছে, তারই চারপাশে ঘুরে বেড়াতে চায়, উড়তেও চায় না, ডুবতেও চায় না'- কথাটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- 'হৈমন্তী' গল্পে উল্লিখিত এডমন্ড বার্কের রচনা কোন বিষয়ক?
- "মানচিত্র' নাটকটির রচয়িতা কে?
- ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ প্রথম কোন সালে প্রকাশিত হয়?
- 'লোক লোকান্তর' কবিতায় “আহত কবির গান”—পঙক্তিটিতে কবি আহত কেন?
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।"উদ্দীপকের বক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাবের সংক্ষিপ্ত সার।"- এ মন্তব্যের যথার্থ মূল্যায়ন করো।
- ‘পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হােসেন মিয়া গ্রামবাসীকে কোন্ দ্বীপে নিয়ে যেতে চায়?
- ইশান একজন এম.এ পাস যুবক। প্রচলিত ধ্যান-ধারণার সাথে কখনই সে একমত হতে পারে না। তাই তার বন্ধুরা যখন আচার সর্বস্ব ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা পালন করে তখন সে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখে। সে নিজের অন্তরধর্ম থেকে অনুভব করেছে সৃষ্টিকর্তা সর্বত্র বিরাজমান। আকাশে খুঁজে তাঁকে পাওয়া যায় না। মানুষের মাঝে তাঁকে খুঁজতে হবে।ইশানের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতার কোথায় মিল পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা কর।