নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণের জন্য আমৃত্যু
লড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণ করেও শোষক-
স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি।
উদ্দীপকটি তোমার পাঠ্য কোন রচনার সাথে মিল
রয়েছে?
A.
ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
B.
বায়ান্নর দিনগুলো
C.
রেইনকোট
D.
নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়
সঠিক উত্তরঃ
B.
বায়ান্নর দিনগুলো
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী-
- রুগ্নতাব্যঞ্জক অব্যয়
- ১৯৭১ সাল, জুন-জুলাই মাসে প্রচণ্ড বর্ষা হচ্ছে। বৃষ্টিরপানিতে রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। এই বর্ষায় রাস্তার মধ্যে খাদবুঝতে না পেরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি জিপ উলটে যায়।উদ্দীপকের প্রাকৃতিক অবস্থাকে 'রেইনকোট' গল্পেকী নামে উপস্থাপন করা হয়েছে?
- চে গুয়েভারা বলিভিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী নেতা। অসাধারণ দূরদর্শিতা এবং নেতৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি যুদ্ধকালীন সময়ে বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও সফলতা অর্জন করেন।উদ্দীপকের আব্রাহাম লিংকন ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় সাদৃশ্যের ভিত্তি হলো-ভাষা প্রেম দেশপ্রেম দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা নিচের কোনটি সঠিক?
- ঢাকায় ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে অর্ধমাইল দীর্ঘ শোভাযাত্রা বাহির হয়। শোভাযাত্রীগণ 'নূরুল আমিনের রক্ত চাই,' 'নাজিমুদ্দিন গদি ছাড়' প্রভৃতি ধ্বনি করিতে থাকে। শোভাযাত্রীগণ লালদীঘি ময়দানে জমায়েত হইয়া সভা করে।"উদ্দীপকের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক রচনার পটভূমিগত অভিন্নতা রয়েছে- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটির রচয়িতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন স্কুলের ছাত্র ছিলেন?
- যার যাবে প্রাণ তাহেপ্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি শুনাব শাহানশাহে।উদ্দীপকের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোনবাক্যের অধিক মিল রয়েছে?
- জাহাজ ঘাটে শেখ মুজিবুর রহমান সহকর্মীদেরকাছে কী চাইলেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুররহমান কাকে তাঁর সহকর্মীদের খবর দিতে বললেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' কোন জাতীয় রচনা?
- “ওপরের আদালতের হুকুম” বলতে কার নির্দেশবোঝানো হয়েছে?
- বর্ণবাদী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণেরজন্য আমৃত্যু লড়াই করেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কারাবরণকরেও শোষক-স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস করেননি Iনেলসন ম্যান্ডেলা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরচরিত্র দুটি কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?কারাভোগেপ্রতিবাদেদেশপ্রেমেনিচের কোনটি সঠিক?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে বর্ণিত ঘটনাবলীর ব্যাপ্তি কোন পর্যন্ত ?
- 'নাশতা খাবার ইচ্ছা আমাদের নাই'- ব্যাখ্যা করো।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ কার লেখা?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী বৈষম্য যখন চরম আকার ধারণ করে, দেশটির কালো মানুষগুলোর অধিকার যখন ক্ষুণ্ণ হতে থাকে শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা, ঠিক তখনই নেলসন ম্যান্ডেলা রুখে দাঁড়ান। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের তিনি ছিলেন প্রাণপুরুষ। শাসকদের দ্বারা তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। জীবনে বেশির ভাগ সময় তাঁকে কাটাতে হয়েছে কারাগারে। কিন্তু তিনি আন্দোলন করা থেকে পিছপা হননি। সংগ্রামের মাধ্যমেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কালো মানুষের অধিকার।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার চারিত্রিক সাদৃশ্য রয়েছে? তুলনামূলক আলোচনা করো। নিজের মতামত বিশ্লেষণ করো।
- মুহিউদ্দিন আহমদ কী রোগে ভুগছিলেন?
- শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়?
- একবার মরে ভুলে গেছে আজমৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ, বাংলাদেশ, এ পৃথিবীঅবাক তাকিয়ে রয়;জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।উদ্দীপকের শেষ চরণের বক্তব্য 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার যে বিশেষ দিকটিতে আলোকপাত করেছে তা আলোচনা করো।
- ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বন্দি ছিলেন?
- মিছিলটা তখন মেডিকেলের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের কাছাকাছি এসে গেছে। তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিলো। আর তপুর হাতে ছিলো একটা মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপর লালকালিতে লেখা ছিলো, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছুতে অকস্মাৎ আমাদের সামনের লোকগুলো চিৎকার করে পালাতে লাগলো চারপাশে। ব্যাপারটা কী বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।উদ্দীপকের সাথে পাঠ্যবইয়ের 'বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক রচনার পটভূমিগত অভিন্নতা রয়েছে। মন্তব্যটি যাচাই কর।
- মিছিলটা তখন মেডিকেলের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের কাছাকাছি এসে গেছে। তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিলো। আর তপুর হাতে ছিলো একটা মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপর লালকালিতে লেখা ছিলো, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছুতে অকস্মাৎ আমাদের সামনের লোকগুলো চিৎকার করে পালাতে লাগলো চারপাশে। ব্যাপারটা কী বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।উদ্দীপকে গল্পকথকের জবানীতে বর্ণিত মহান একুশের ভাষাচিত্রটির সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটির কথক ও কাহিনীর ভিন্নতাও রয়েছে।- তোমার মতামতসহ মন্তব্যটি যাচাই কর।
- ভাষাসৈনিকের শহিদ হওয়ার খবর বঙ্গবন্ধু কীভাবেপেয়েছিলেন?