“হিন্দু না ওরা মুসলিম ঐ জিজ্ঞাসে কোন জন!
কাণ্ডারী বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মার।”
উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতার
সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো—
- যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চান
- যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান
- এইখানে বসে ঈসা মুসা পেল সত্যের পরিচয়
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i,ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
A.
i ও ii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কোন গল্পটি শওকত ওসমানের লেখা?
- 'কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই' বাক্যটির কোন রচনার অন্তর্ভুক্ত?
- কমলাকান্ত কোন বর্ণের ছিল?
- জেলা শহরের সরকারি হাসপাতালে দক্ষ চিকিৎসক ডাক্তার হুমায়ুন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে রোগীদের তিনি পরম যত্নে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একদিন যমুনা নামে এক অসহায় বৃদ্ধা টাকার অভাবে হাসপাতারের টিকেট না কেটে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে পড়লে ডাক্তারের সহকারী দুর্ব্যবহার করে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দিতে চায়। ডাক্তার হুমায়ুন যমুনাকে ডেকে তার কথা শোনন এবং বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে সহকারীকে ডেকে বলেছেন, "অসহায় মানুষের সেবা করা মানবতার কাজ। সকল মানুষ আমার কাছে সমান।""উদ্দীপকের চিকিৎসক এবং 'সাম্যবাদী' কবিতার কবি উভয়েই মানবতাবাদের মূর্থ প্রতীক"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ফররুখ আহমদ এর 'পাঞ্জেরী' কবিতায় 'পাঞ্জেরী' শব্দটি কতবার ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'ঐকতান' কবিতাটি প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'হায়রে কিষাণ-তোদেরই শীর্ণ দেহ দেখে মোর অশ্রু মানে নাবুলবুলিতে ধান লুটে নেয়, তবু কেন ঘুম ভাঙে না।পৌষ পার্বণে গোলার ঘরে, শূন্য দেখে অশ্রু ঝরেশ্যামল গাঁয়ের মুখরতা, থেমে যে যায় অনাহারেএরা পিশাচ অনাহারী, ঘরে ঘরে ক্ষুধার তাড়না।'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে চাষার দারিদ্র্য বিড়ম্বিত জীবন চিত্রের পাশে চাষার দুক্ষু যাহাতে দূর হয় এমন বক্তব্যও আছে- যা উদ্দীপকে নেই"- বক্তব্যটির সাথে তুমি কী একমত? যুক্তিসহ আলোচনা করো।
- ‘সামাজিক ধনবৃদ্ধি ব্যতীত সমাজের উন্নতি নাই।' উক্তিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- কাশবনের কন্যা' কোন জাতীয় রচনা?
- 'বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস' গ্রন্থের লেখক কে?
- মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও ব্যাখ্যা কর।
- ফররুখ আহমদের ‘পাঞ্জেরি’ কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত-
- 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে .... ' কার রচিত পঙক্তি ?
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।"উদ্দীপকের রহিম সাহেবের জীবনানুভূতির সাথে 'সাম্যবাদী' কবিতায় প্রতিফলিত কবির জীবনদর্শনের তুলনা করো।
- আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- এ বহ্নির যত শিখা/ কে করিবে গণনা? - কবিতার এই পঙক্তি কোন রচনার?
- 'ঐকতান' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- 'কলিমদ্দি দফাদার' গল্পের লেখক কে?
- “বিড়াল' রচনায় “তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্যজাতির”-
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত বই কোনটি?
- বাংলায় অনুদিত ‘আলমুকাদ্দিমা' গ্রন্থটি কোন দেশের সমাজবিজ্ঞানীর লেখা?
- ‘নীল দর্পণ’ নাটকটির বিষয়বস্তু কি?
- নিচের কোন লেখক রাশিয়ার?
- ফরিদপুর জেলার ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে নকশিকাঁথা। কাঁথা সেলাই করে অনেকেই সচ্ছলতার মুখ দেখেছে। নারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে স্ব-উদ্যোগে নকশিকাঁথার দোকান পরিচালনা করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরের অলিগলিতে আজ চোখে পড়ে অসংখ্য হস্তশিল্পের দোকান। দোকানের পণ্যগুলো দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। তাই এখন এ জেলার স্লোগান হচ্ছে। "ফরিদপুরের নকশিকাঁথা, বাংলাদেশের গর্বগাথা"।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের বিষয়বস্তুর বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।