‘কাজী নজরুল ইসলামের গ্রন্থ কোনটি?
A. ঘরে -বাইরে
B. কুহেলিকা
C. পঞ্চতন্ত্ৰ
D. বলাকা
সঠিক উত্তরঃ
B.
কুহেলিকা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের মতে কে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান।সঙ্কটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো,নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বাননীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ।মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরে দিয়ো কঠিন পরিচয়। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য লেখো।
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস নয়?
- জীবনে জীবন যোগ করা না হলে কৃত্রিম পণ্যে ব্যর্থহয় গানের পসরা-উদ্দীপক এবং 'আমার পথ' প্রবন্ধে প্রাধান্যপেয়েছে—জীবনবন্দনাআত্মনির্ভরশীলতামানবধর্মনিচের কোনটি সঠিক?
- আশফাক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজসচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজে বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছেন, যারা ছাত্র অবস্থায় তাঁর সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এর পরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা তাঁর সমালোচনা করে। এসব শুনে আশফাক ??াহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।''সমালোচনাকে যারা উপেক্ষা করতে পারে, তারাই সামনে এগিয়ে যেতে পারে।'- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'আমার অদৃষ্ট আর কল্যাণের মাঝখানে শুধু দেয়ালআর দেয়াল।' এখানে দেয়াল দ্বারা বুঝানো হয়েছে—বাধাবিভক্তিষড়যন্ত্রনিচের কোনটি সঠিক?
- রাজবন্দীর জবানবন্দি কী ধরনের রচনা?
- 'শিউলিমালা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরণের রচনা?
- তরুণদের প্রাণের ধর্মকে নজরুল কী নাম দিয়েছেন ?
- 'আমি সে দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- রেবেকা সুলতানা রাজধানীর স্বনামধন্য কলেজের একজন আদর্শ শিক্ষক। কলেজ ছুটির পরে তিনি অবসর সময়ে পিছিয়ে পড়া নারীদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। এ কারণে তিনি গড়ে তোলেন 'নারী অধিকার' নামের একটি সংগঠন। এ সংগঠনের মাধ্যমে নারীদের হয়রানি, নিরাপত্তাহীনতা এবং নানাবিধ অনৈতিকতার প্রতিবাদে নিজেকে সমর্পণ করেন। কিন্তু কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তার বিরোধিতা করেন। তা সত্ত্বেও তিনি তার প্রতিবাদ ও সচেতনতা অব্যাহত রাখেন।উদ্দীপকের রেবেকা সুলতানার 'সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার সত্য' বলতে কী বুঝিয়েছেন?
- সুন্দরগঞ্জ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়হান চৌধুরী সত্যের পথে থেকে সারা জীবন অতিবাহিত করেছেন। তিনি মিথ্যা, ভণ্ডামি পছন্দ করতেন না। তিনি মনে করতেন, মিথ্যা ক্ষণিকের লুকোচুরি খেলা যা মানুষের আত্মবিশ্বাসকে দুর্বল করে দেয়। শিক্ষার্থীদেরও তিনি মিথ্যাকে পরিহার করে সত্যের সুকঠিন পথে চলার উপদেশ দিতেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বলতেন, "সত্যই একমাত্র নিজেকে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসের সাথে দাঁড়াতে সাহায্য করে।''উদ্দীপকের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটির মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- শ্রমিক নেতা রহমান সাহেব একজন প্রতিবাদী ব্যক্তি। শ্রমিকদের স্বার্থ আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সত্য কথা বলতে তিনি কখনো পিছপা হন না। তার এই স্পষ্টবাদিতার কারণে মালিকপক্ষের কাছে তিনি চক্ষুশূল। জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হননি। তাই শ্রমিক সমাজের মাঝে তিনি বেশ আস্থাভাজন মানুষ হিসেবে পরিচিত।
- 'সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল'- ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রাজবন্দীর জবানবন্দী’ হল-
- কে কখন অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন?
- ইশতিয়াক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজ সচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজের বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছে, যারা ছাত্র অবস্থায় তার সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এরপরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা তাঁর কটূক্তি ও সমালোচনা করে। এসব শুনে ইশতিয়াক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'উদ্দীপকের ইশতিয়াক সাহেব 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'শিউলিমালা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা ?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।' কথাটি বলেছেন-
- ‘রাজবন্দির জবানবন্দী’ কে রচনা করেন ?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের কর্ণধার কে?
- স্পষ্ট কথা বলায় নিশ্চিতভাবে যা থাকে তা হলো-