বিলাসিতার সঙ্গে কোন ভূত কৃষকদের কাঁধে চেপে বসেছে বলে বেগম রোকেয়া মনে করেছিলেন?
A. অকর্মণ্যতা
B. অলসতা
C. আরামপ্রিয়তা
D. অনুকরণপ্রিয়তা
সঠিক উত্তরঃ
D.
অনুকরণপ্রিয়তা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নূরলদিন যে পূর্ণিমায় মায় ডাক দিবে সে পূর্ণিমা কেমন?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।সৌদামিনী চরিত্রের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পে বিলাসীর সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- কোন সাহিত্যিক মনের ঝোঁকে সন্ন্যাসী হয়ে গৃহত্যাগ করেছিলেন?
- মরিয়ম শহরের একটি হাসপাতালে চাকরি করেন। হাসপাতালের দায়িত্ব শেষ করে গ্রামে ফিরতে প্রায়ই তার রাত হয়, এমনকি রোগীর দেখাশোনার জন্য মাঝে মাঝে। তাকে রাতে হাসপাতালে থাকতে হয়। গ্রামের কিছু মানুষ রাত করে বাড়ি ফেরা এবং বাড়ির বাইরে রাতে থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারে না'। তারা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মরিয়মকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু মরিয়ম তার প্রতিবাদ করেন, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই গ্রাম ছেড়ে যাবেন না। এই অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বলা যায় যে মরিয়ম ও বিলাসী উভয়েই- প্রতিবাদী নারী সভা কুসংস্কারের শিকারকরুণ পরিণতির শিকার নিচের কোনটি সঠিক?
- নার্গিস বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করে। বিদেশে কাজকরার বিষয়টি তার এলাকার মানুষ পছন্দ করে না। তিনবছর পর নার্গিস বাড়ি ফিরে এলে গ্রামবাসী তার নামেবিচার বসায় এবং তাকে গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়।নার্গিস প্রতিবাদী কণ্ঠে বলে ‘অসুস্থ মাকে রেখে কিছুতেইআমি কোথাও যাব না ।'উদ্দীপকের বিষয়টি বিবেচনায় নার্গিস ও বিলাসী উভয়েকেমন প্রকৃতির নারী?
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা'দাও।'- উক্তিটিতে ন্যাড়ার যে মনোভাব প্রকাশপেয়েছে—
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা দাও।'উক্তিটিতে ন্যাড়ার কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- তিন্নি তথাকথিত নিম্নবর্ণের মেয়ে। সে কর্মনিপুণ,বুদ্ধিমতী এবং সেবাব্রতী। সে কারণে বিশু তাকেবিয়ে করেছে। কিন্তু নিম্নবর্ণের হওয়ায় বিশুর পরিবারতিন্নিকে মেনে নেয়নি। উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে—
- "বিলাসী” গল্পে কাকে গালিগালাজ করে দেশ উদ্ধারেরকথা বলা হয়েছে?
- অসুস্থ সুমন মিয়ার দুর্দিনে তার সব আত্মীয়স্বজন দূরে চলে যায়। তার স্ত্রী নিজের গয়না বিক্রি করে এবং সমস্ত সঞ্চয় নষ্ট করে সুমন মিয়ার ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। স্ত্রী সেবা ও ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় সুমন মিয়া সুস্থ হয়ে তার সব সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে দেয়। এতে তার আত্মীয়স্বজনেরা সুমন মিয়াকে কটাক্ষ করে বিভিন্ন অপবাদ প্রচার করতে থাকলে সুমন মিয়া তার স্ত্রীর ত্যাগ আর দয়ার্দ্র আচরণের কথা মনে করিয়ে দেয়।উদ্দীপকের সুমন মিয়ার স্ত্রীর সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- মৃত্যুঞ্জয়ের জ???ত কী ছিল?
- 'ঘন জঙ্গলের পথ। একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো' উক্তিটি কার?
- শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা কোনটি?
- 'বিলাসী' গল্পে কে মৃত্যুঞ্জয়ের চিকিৎসা করে ?
- কিন্তু মৃত্যঞ্জয় তো পল্লীগ্রামেরই ছেলে পাড়াগাঁয়ের তো- মানুষ বিলাসী গল্পের এ বাক্যের শূন্যস্থান আছে-
- 'তাহার হাতের উল্টা পিঠ দিয়ে ঝর ঝর করিয়া রক্ত পড়িতেছিল।'-এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
- কোন লেখক মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে ঘর ছেড়ে সন্ন্যাসী হয়েছিলেন?
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।"উদ্দীপকটিতে 'বিলাসী' গল্পে সমাজবাস্তবতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উত্তরের পক্ষে তোমার যুক্তি দেখাও।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- সৌদামিনী মালোর পালিত পুত্র হরিদাসকে নিয়ে মনোরঞ্জন মালো গ্রামময় প্রচার করে দিলো। যে সৌদামিনী ভয়ানক শাস্ত্রবিরুদ্ধ পাপ কর্ম করেছে। ব্রাহ্মণের জাত মেরেছে সে। সৌদামিনী মালোর সাথে মনোরঞ্জন মালোর শত্রুতা আগে ছিল ব্যক্তিগত এখন তা সমাজগত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু একা মনোরঞ্জন মালো নয় সমস্ত গ্রাম সৌদামিনী মালোর বিরুদ্ধে জুলুম শুরু করল।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালোর, সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসী চরিত্রের কী মিল খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- 'বাবুরা, আমাকে একটিবার ছেড়ে দাও আমি রুটিগুলোঘরে দিয়ে আসি।'- বিলাসী এ কথা কেন বলেছিল? শিয়াল কুকুরে খেয়ে যাবেরোগা মানুষ সমস্ত রাত খেতে পাবে না মৃত্যুঞ্জয় মরে যাবেনিচের কোনটি সঠিক?
- ভয়ংকর এক সড়ক দুর্ঘটনায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা রায়হানকে পাশের বস্তির মেয়ে জাহানারা উদ্ধার করে নিয়ে আসে। স্মৃতি ফিরে পেলে রায়হান জানতে পারে তার জীবন বাঁচিয়েছে এই মেয়েটি। দীর্ঘদিন সেবা-যত্নের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে সে। রায়হান মেয়েটির প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে তাকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসে। তার বাবা জাহানারাকে মেনে নেয় না। কিছু টাকা পয়সা দিয়ে তাকে-বিদায় করে দিতে চাইলে রায়হানও জাহানারার সাথে বস্তিতেই চলে যায় এবং সেখানেই সুখে সংসার বাঁধে।উদ্দীপকের জাহানারা চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি আলোচনা করো।
- 'একদিন এই মন্ত্রের সত্য-মিথ্যার চরম মীমাংসা হইয়া গেল।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।'বিলাসী' গল্পের বিলাসী চরিত্রের সাথে উদ্দীপকের রমা দাস চরিত্রের বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
- বিলাসী’ গল্পের ন্যাড়া চরিত্রে কোন লেখকের জীবনের ছায়াপাত ঘটেছে?