‘আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে নিষ্ক্রিয়তার ফল
হলো-
A.
পরাধীনতা
B.
ভণ্ডামি
C.
গোলামী
D.
পরনির্ভরতা
সঠিক উত্তরঃ
A.
পরাধীনতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ইশতিয়াক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজ সচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজের বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছে, যারা ছাত্র অবস্থায় তার সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এরপরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা তাঁর কটূক্তি ও সমালোচনা করে। এসব শুনে ইশতিয়াক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'সমালোচনাকে যারা উপেক্ষা করতে পারে, তারাই সমানে এগিয়ে যেতে পারে।" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত জালিয়াত খেলছো জুয়া"-গান্টি কার রচনা ?
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কত সালে ভারত থেকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে আনা হয়?
- বর্তমানে মানবকল্যাণের অন্যতম অন্তরায় কোনটি?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে নিজের বিশ্বাস আর সত্যকে প্রকাশ করতে না জানলে কী তৈরি হয়?
- "মানুষ মাত্রই ভুল করে। জীবনের চলার পথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলেতাকে স্বীকার করে নেওয়ার মধ্যে কোনো লজ্জা নেই।' ভুল থেকেই মানুষ সঠিক শিক্ষা পেতে পারে। উদ্দীপকের বক্তব্য অনুযায়ী লেখকের যে মতামত ব্যক্ত হয়েছে?মানুষ সব সময় নিখুঁত কাজ করতে পারে নাভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা উচিতভুলটাকে স্বীকারে আত্মশক্তি লোপ পায়নিচের কোনটি সঠিক?
- 'আমার আমি সে কত অতল অসীম,'আমিই কি জানি-কে জানে কে আছে আমাতে মহামহিম'।উদ্দীপকের মর্মবাণীটি কীভাবে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাথে সামঞ্জ্যপূর্ণ?
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।উদ্দীপকের প্রকাশিত 'সত্য' 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম' ব্যাখ্যা করো।
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান।সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপন-মাঝে শক্তি ধরো, নিজের করো জয়-দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জেনো।উদ্দীপকে যে দ্বিধা, ভয় সংকোচের কথা বলী হয়েছে 'আমার পথ' প্রবন্ধে তা দূরীকরণের উপায়ও আছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- অমিত বাবু ভূমি অফিসের একজন নায়েব। তিনি সৎ, দক্ষ, এবং স্বনামে এলাকায় পরিচিত। শুধু তার কারণে তার অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না। তিনি নিজ উদ্যোগে একদিন একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিলেন ভূমি অফিসে। তাতে লেখা "এই অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না।" বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে, কিন্তু তার সহকর্মীরা বিষয়টি সহজভাবে নেননি। কেবল অমিত বাবুর কারণে তাদের বাড়তি আয় কমে গেছে। তারা ষড়যন্ত্র করে তাকে অফিস হতে বিতাড়নের চেষ্টা করেন। তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উত্থাপন করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে, কিন্তু অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায় না। অমিত বাবু সত্যের পথে ছিলেন অবিচল, তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি কোনো দিন।"উদ্দীপকের অমিত বাবু 'আমার পথ' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের মানসপুত্র।"- উক্তিটির যথার্থ পরীক্ষা করো।
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।উদ্দীপকের মামুনের মনোভাবনার মধ্য দিয়ে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম কোন সনে মৃত্যুবরণ করে?
- 'ভায়া লাফ দেয় তিন হাত, হেসে গান গায় দিনরাত' ছড়াটি কার সম্পর্কে লেখা?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে সবচেয়ে বড়ো ধর্ম কী?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'গান্ধীজি আছেন' কথাটির। মর্মার্থ কী?
- 'গীত গোবিন্দ'- এর রচয়িতা কে?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উল্লেখ আছে?
- 'আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে' – কেন?
- শোভনা গ্রামের শিক্ষিত পরোপকারী সন্তান সুভাষ। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন মান পরিবর্তন, শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ রোধে গড়ে তুলেছে 'যুব সংঘ' নামক একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন সে গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের জীবন মান উন্নয়নের চেষ্টা করে। এলাকার অনেকেই এ কাজকে প্রশংসা করলেও নিন্দুকেরা নিন্দা করতে ছাড়েনি। কিন্তু সুভাষ নিন্দুকদের কথায় কান না দিয়ে তার কাজে অটল থেকেছে। কারণ, সে জানে জাতি শিক্ষিত হলে সমাজের কুসংস্কার দূর হবে।উদ্দীপকের সুভাষ চরিত্রের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সংগতিপূর্ণ বিষয়ের যৌক্তিক রূপ তুলে ধরো।
- বিষয় সম্পর্কে পূর্বধারণা নিয়ে যে সকল শিক্ষার্থী এসেছিল কেবল তারাই শ্রেণিকক্ষের পাঠদান বুঝতে পারল। বোঝানোর জন্য শিক্ষক তো আছেনই, এই ভরসায় যারা শ্রেণিকক্ষে গিয়েছিল তাদের অর্জন শূন্য।উদ্দীপক 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে অনুষঙ্গ ধারণ করে তা হলো-দাসত্বস্বাবলম্বনপরাবলম্বননিচের কোনটি সঠিক?
- ‘বাঁধন হারা’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
- "স্পষ্ট কথা বলার একটি অবিনয় নিশ্চয় থাকে" -তোমার পঠিত কোন রচন থেকে নেওয়া হয়েছে ?
- রহমান গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব দবির সাহেব রাশভারী মানুষ। আনুগত্যের ভাব দেখিয়ে সকলে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল শাকিল সাহেব তা করেন না; যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। এ কারণে সহকর্মীরা শাকিল সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। কিছুদিন পর প্রতিষ্ঠানে একটি 'ম্যানেজার'-এর পদ শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে নানাভাবে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সকলে বিস্মিত হয়ে যায়। কারণ, সেই পদের নিয়োগপত্র পান শাকিল সাহেব।উদ্দীপকের শাকিল সাহেবের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- আমি জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অন্তরে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছি। কত রাত্রি অনুশোচনায় ঘুম হয় নাই। এখন ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন সোজা এই বুঝেছি যে, আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব, বলে বেড়াব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোট হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মনির্যাতন ভোগ করব না।উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখকের মনের যে সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবের পরিচয় পাওয়া যায় তা আলোচনা করো।