জান না কি তুমি, রে বেইমান
আল্লাহ সর্বশক্তিমান
দেখিছেন তোর সবকিছু?
জাব্বা জোব্বা দিয়ে ধোঁকা
দিবি আল্লারে, ওরে বোকা
কেয়ামতে হবে মাথা নিচু।
উদ্দীপকের বেইমান 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কত বছর বয়সে আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল?
- 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদ কোন সময় আওয়ালপুরগ্রামে পৌঁছাল ?
- 'কদর্য এশীয়’ বইটির লেখক কে?
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?' আপনে ওরে নিয়া আসেন ভিতরে।'- উক্তিটিতে বস্তার মনোভাব ব্যাখ্যা কর।
- 'যোগসূত্র হচ্ছে রহিমা'-ব্যাখ্যা করো।
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের ভাব ধারণ করেছে কি না? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ওয়াজ করিবার সময় পির সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়ে গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন।..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখমুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের প্রতি যে ইঙ্গিত প্রদান করে তা আলোচনা করো।
- সালমার মা ছাড়া সংসারে আর কেউ নেই। লেখাপড়াও বেশিদূর করতে পারেনি। আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেকটা বাধ্য হয়েই মধ্যবয়সি একজন লোকের সঙ্গে সালমার বিয়ে দেয় তার মা। স্বামীর বাড়ি গিয়ে সালমা দেখে যে, সেই সংসারে সতিন ও তার এক পুত্রসন্তান রয়েছে। সালমার ভাগ্য বড়োই খারাপ। বড়ো বউ তাকে মোটেও সহ্য করতে পারে না। সারাদিন সালমাকে খাটায়, ঠিকমতো খেতে দেয় না। স্বামীর কান ভারি করে সালমার বিরুদ্ধে। হঠাৎ সালমা একদিন বুঝতে পারে যে, তার স্বামী একজন চোরাকারবারি। সালমা এসব দেখে ভয় পায়। সে প্রতিবাদ করলে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। একদিন সালমা মেরাজের সমস্ত কুকীর্তির কথা পুলিশের কাছে ফাঁস করে দেয়। মেরাজের মুখোশ খুলে যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত সালমা এবং 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত জমিলার জীবনচিত্র যেন একই সুতোয় বাঁধা।"-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- মহিম আলির সংসারের সকল দায়িত্ব তার স্ত্রী হনুফার। যৌথ পরিবারের গ্রামীণ সংসারের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে ধান শুকানো, মাড়ানো, গৃহপালিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলের তদারকি সবই শক্ত হাতে সামলান। এমনকি আত্মীয়স্বজনের সাথে যোগাযোগ, তাদের মান রক্ষা সবই হনুফার গুরুদায়িত্ব। এতে তার আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি বা ক্লান্তি নেই। কিন্তু 'হনুফা'কে মাঝে মাঝে অসহায়ত্ব ও একাকিত্ব গ্রাস করে। মহিম আলি হনুফার একাকিত্ব অনুভব করে। কারণ তারা নিঃসন্তান।"উদ্দীপকে বর্ণিত হনুফা সন্তান বাসনায় অতৃপ্ত কিন্তু 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত রহিমার মাতৃহৃদয় কিছুটা পরিপূর্ণ।" কীভাবে ব্যাখ্যা করো।
- খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করে সুজন গ্রামে এসে সাধারণ মানুষের সেবাদানের উদ্যোগ গ্রহণ করে। গ্রামে একটি হাসপাতাল তৈরি তার ছোটোবেলার স্বপ্ন। যখন সুজন তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তখনই গ্রামের অশিক্ষিত মানুষগুলো এর প্রতিবাদ জানায়। গ্রামবাসী মনে করে হাসপাতাল তৈরি হলে কাটাছেঁড়া করতে গিয়ে ডাক্তাররা মানুষ মেরে ফেলবে। তাদের কাছে ডাক্তার মানেই কসাই। তার চেয়ে গ্রামের কবিরাজ, ফকির, বৈদ্য, ঝাড়ফুঁকেই তাদের জন্য মঙ্গল। কসাই ডাক্তারখানার দরকার নেই।লালসালু উপন্যাসের আক্কাস ও উদ্দীপকের সুজন এর মানসিকতা মূল্যায়ন করো।
- ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরের পীরের কাছেপাঠিয়েছিল কে?
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?'- ব্যাখ্যা করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র জন্মস্থান কোথায় ?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
- 'ওনারে কন, আমার মওতের জন্য জানি দোয়া করে' উক্তিটি কার?
- মাজারের ত্রিসীমানায় আজ পর্যন্ত কে ঘেঁষেনি?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসিমুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা, সবার অজান্তে অবৈধ ব্যাবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।"স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র একই পথের পথিক"-তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ্ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল, তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্তসমস্ত হইয়া ছুটিয়ে আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শাশুরাজি ভূলুষ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লক্ষে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া দিয়া বলিয়া উঠল, 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব।' কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পীরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পীর ছিলেন; এক্ষণে তাঁহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া গেল।উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- রহিমা অতি সংগোপনে মাজারে গিয়ে কী আর্জি জানায়?
- ধলা মিয়া কেমন ধরনের মানুষ ছিল?
- ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা?' সংলাপটি বলেছে—
- 'কলমা জানো মিঞা?' মজিদ কাকে এ প্রশ্ন করেছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?